Skip to main content

Posts

poem of Nomaan

 RomSky (1) Who does not know those feelings, how they understand its a feeling that The joy that comes when the morning sun falls on the body. Noman(Rom Sky) is soaking wet in the sun and is walking. I often wonder which way he is going!  যে নরম রোদ শরীরে মেখেছে সে কি তার মতন যে এইসবের কিছুই জানেনা। সেই রোদে ঘামে ভিজে নোমান যে হেঁটেই যাচ্ছে। আমি প্রায়ই ভাবি সে আসলে কোন দিকেইবা যাচ্ছে!

লক ডাউন

লক ডাউন নুরেন নুরাইন   জীবনটা আমাদের কালো ধুয়া হয়ে গেল। পড়াশোনা ছাত্রদের তেজপাতা হয়ে গেল। বাসায় বসে ভাল লাগে না আর, এখন আছে আর কী করার। কিছু যদি তুমি আবার বাহিরে যাও, গিফট হিসাবে একগাদা কোরনা পাও। জীবন থেকে বড় আর কিছু নেই, তাই সবাই চলো লক ডাউন মেনে নেই। জনগন যদি একসাথে মিলেমিশে কাজ করে তবে, দেশোটা খুব সহজেই করোনা মুক্ত হবে।

ছড়া

নুরেন         মোঃ নোমান সরকার  নুরেনকে আমি ডেকেছি, নুরেন বলে আসিছি , সে এখন বড্ড ব্যস্ত যেন কাজ মস্ত।।

ছড়া

হাতি ঘোড়া নাচায়                         মোঃ নোমান সরকার  নুরেন এখন খায় না নুরেন গান গায় না পড়ালেখা করে না ডুম ডুম ডুম বাঁজায় যেন হাতি ঘোড়া নাচায়।।

ছায়া

  ছায়া (পর্ব – ১) মোঃ নোমান সরকার                                                  প্রথম দৃশ্য – ১  (ভোর বেলা। নদীর তীরে হাঁটছে ২ জন মানুষ। দুইজনের বয়স ৫০ এর উপরে।   একজন সাদা পায়জামা, সাদা পাঞ্জাবী পরা, তিনি চেয়ারম্যান সাহেব। আরেকজন লুঙ্গি পরা আর ফতুয়া। তার হাতে ছাতা সেটি , ছাতাটি চেয়ারম্যান সাহেবের মাথার উপরে।)  (ক্যামেরা শুরু করবে দুইজন মানুষ হেঁটে যাচ্ছে, তাদের পিছন দিক থেকে। নদীর পার বা তীর সহ আকাশ দেখা যাচ্ছে। ক্যামেরায় প্রবেশ করবে দুইজন। চেয়ারম্যান সাহেবের মুখ নদীর দিকে। তারপর কালুকে দেখানো হবে, তার মুখ চেয়ারম্যান সাহেবের দিকে।)  কালুঃ চেয়ারম্যান সাহেব, আপনার নাস্তা খাইবার সময় হইছে। চেয়ারম্যান সাহেবঃ চল, বাড়ির দিকে। কালুঃ চেয়ারম্যান সাহেব , আমি একটা প্রশ্ন করতে চাই? চেয়ারম্যান সাহেবঃ কর। কালু...

windy থেকে জানা যাবে ফণীর অবস্থা সরাসরি!

ফণীর অবস্থা সরাসরি দেখতে    www.windy.com     এ ক্লিক করুন।এখন ভারতের দিকে আছে ঝড়টি। বর্তমানে বৃষ্টিপাত, আবহাওয়া, বজ্রপাত কোথায় কেমন হচ্ছে এমন সব তথ্যই পেয়ে যাবেন এই সাইডটিতে। 

আগুনের বিপদ থেকে রক্ষা পেতে হলে

আমাদের আরো ভাবতে হবে। ভাবতে হবে যে আগুন সবকিছু পুড়িয়ে ফেলতে পারে, সেই আগুন দিয়েই আমরা রান্না করি। এতেই হিসাবটা সহজ হয়ে যায়, আমরা আগুনকে নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা রাখি। কিন্তু যখনই আমরা উদাসীন তখনই বড় বিপদগুলো ঘটে যাচ্ছে। আগুন লাগার পর ফায়ার ফাইটারদের আসতে যে সময় নিয়েছিল, গলির কারনে গাড়ি ঢুকতে না পারা সহ জ্যাম মিলিয়ে যে সমস্যা হচ্ছিল বা হয় সেই বিষয়টি আমাদেরকে বুঝতে বা মানতে হবে। আমাদের বুঝতে হবে এভাবে হবে না কেবল। কেবল ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ির জন্য পথ চেয়ে বসে থাকলে চলবে না। গাড়ি আসতে যদি ১০ মিনিট সময়ও নেয়। তবে সেই স্ময়ে আগুন ভয়াবাহ অবস্থার দিকে যাবে। তাই অগ্নি নিবারকের গাড়ির আশায় বসে থাকলে কেবল হবে না, বিশেষ করে পুরানো ঢাকার এত সরু গলিতে বসবাস করা মানুষদের বিষয়টি বা শহরগুলোর অন্য এলাকাগুলো একই অবস্থা। চাইলেই গলি বড় করা সম্ভব না। বাস্তবতাকে বুঝতে হবে। বুদ্ধি বের করতে হবে। আগুন সব পুরিয়ে ফেলে, সেই আগুনকে আমরা সাপ বশ করার মতন নিয়ন্ত্রণ করে তা দিয়ে রান্না করি। প্রতিটা ছাদে ১০০ ফিট পাইপ রাখতে পেঁচিয়ে, পানির টাংকির সাথে যোগ থাকতে হবে। প্রয়োজনে ছোট আরেকটি নীচে চাকা যুক্ত প্রটবল টাংকি থ...